হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আহতরা। ছবি: ওয়ানটিভি।
সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ উপজেলার বনুয়া কৈয়া বিলে অবৈধভাবে রিং ছাই দিয়ে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছেন। বুধবার (২৩ সেপ্টেম্বর) দুপুরে উপজেলার বনুয়া কৈয়া বিলে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
স্থানীয়রা জানান, উপজেলার তলেরবন গ্রামের জাহির আলীর লোকজন দীর্ঘদিন ধরে বনুয়া বিলে নিষিদ্ধ রিং ছাই ব্যবহার করে অবৈধভাবে মাছ শিকার করে আসছিলেন। বুধবার দুপুরে তলেরবন মৎস্য সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমীনের নেতৃত্বে সমিতির লোকজন অবৈধভাবে মাছ ধরতে বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে জাহির আলীর লোকজন দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে গোলাম আমীনের লোকজনের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
সংঘর্ষে তলেরবন মৎস্য সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমীন (৪৭), দিলোয়ার হোসেন (৫২), আজাদ মিয়া (৫০), জবর আলী (৭৫), শাহীন আলম (১৮), কুতুব উদ্দিন (২৮), হাম্মাদ আহমদ (২১) ও মঙ্গল হোসেন (৪০)-সহ উভয় পক্ষের অন্তত ১৫ জন আহত হন। আহতদের উদ্ধার করে স্থানীয় হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
তলেরবন মৎস্য সমবায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক গোলাম আমীন জানান, জাহির আলী ও তার লোকজন দীর্ঘদিন ধরে সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে বিলে ক্ষতিকর রিং ছাই দিয়ে মাছ শিকার করছিল। এতে বিলের মৎস্য সম্পদ ধ্বংস হচ্ছে দেখে আমরা বাধা দিলে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। আমি বিচার চাই।
এদিকে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন জাহির আলীর গ্রুপের আব্দুল হান্নান। তিনি বলেন, আমাদের গ্রুপের কেউ হামলা করেনি।
এ বিষয়ে শান্তিগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অলি উল্লাহ জানান, এখনো পর্যন্ত কোনো লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি; অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।